দেশজুড়ে, ডেস্ক
প্রকাশিত: ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ , ১১:৫২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
সরকার
গঠনের পর নির্বাচনী অঙ্গীকার
বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নামে নতুন একটি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। আসন্ন ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রাথমিকভাবে প্রতি সুবিধাভোগী পরিবারকে মাসে ২ হাজার টাকা
করে সহায়তা দেওয়ার প্রস্তাব রয়েছে। এ হিসাবে ৫০
লাখ পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করা হলে বছরে সরকারের ব্যয় দাঁড়াতে পারে ১২ হাজার কোটি
টাকারও বেশি।
সংশ্লিষ্ট
সূত্রে জানা গেছে, ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের জন্য নীতিমালা ও কর্মকৌশল প্রণয়নের
কাজ চলছে। চলতি সপ্তাহের মধ্যেই এ সংক্রান্ত প্রস্তাব
চূড়ান্ত হতে পারে। অর্থের সংস্থান নিশ্চিত করতে বিদ্যমান কয়েকটি সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির সঙ্গে নতুন এই উদ্যোগের সমন্বয়ের
পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।
পাইলট
প্রকল্পের জন্য বগুড়া ও দিনাজপুর জেলার
মোট আটটি উপজেলাকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করা হয়েছে। এর মধ্যে বগুড়ার
গাবতলী এবং দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলায় কার্যক্রম শুরু হবে। সমাজকল্যাণমন্ত্রী এ জেড এম
জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, হতদরিদ্র ও দরিদ্র পরিবারগুলোকে
অগ্রাধিকার দিয়ে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হবে। সুবিধাভোগী নির্বাচন প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ খানা জরিপের তথ্য ব্যবহার করা হচ্ছে।
কর্মসূচি
বাস্তবায়নে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের বিদ্যমান বরাদ্দ থেকে অর্থ পুনর্বিন্যাস করা হতে পারে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে খাদ্য
মন্ত্রণালয়ের খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি থেকে ১ হাজার ২০৩
কোটি টাকা, মহিলা ও শিশু বিষয়ক
মন্ত্রণালয়ের ভ্যালনারেবল ওম্যান ডেভেলপমেন্ট (ভিজিডি) কর্মসূচি থেকে ২ হাজার ২২৩
কোটি টাকা এবং বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা ও মা-শিশু
সহায়তা কর্মসূচি থেকে প্রায় ২ হাজার ১২১
কোটি টাকা সংযুক্ত হতে পারে।
সরকারের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক সুরক্ষা জোরদারে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।
দেশজুড়ে/সবুজ