স্বাস্থ্যসেবা জোরদারে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী ও ২৫ হাজার ধাত্রী নিয়োগের পরিকল্পনা

দেশজুড়ে ডেস্ক

দেশজুড়ে ডেস্ক

প্রকাশিত: ১১ জুলাই ২০২৬ , ০৫:২৫ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

ঢাকা, ১১ জুলাই: দেশের স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী ও জনবান্ধব করতে বড় পরিসরে জনবল নিয়োগের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি জানিয়েছেন, সরকারি স্বাস্থ্যখাতে পর্যায়ক্রমে ১ লাখ স্বাস্থ্যকর্মী এবং ২৫ হাজার ধাত্রী (মিডওয়াইফ) নিয়োগ দেওয়া হবে। এসব ধাত্রী নিরাপদ ও স্বাভাবিক প্রসব নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে কাজ করবেন, আর স্বাস্থ্যকর্মীরা জনগণের দোরগোড়ায় স্বাস্থ্যসেবা ও সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করবেন।

শনিবার (১১ জুলাই) ঢাকা মেডিকেল কলেজের ৮১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন।

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উপজেলা ও জেলা পর্যায়ের ৫১ শয্যার হাসপাতালগুলো ধাপে ধাপে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হবে। একই সঙ্গে রাজধানীর হাসপাতালগুলোর ওপর চাপ কমাতে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের প্রান্তিক এলাকায় দায়িত্ব পালনের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে স্থানীয় মানুষ নিজ এলাকাতেই উন্নত চিকিৎসাসেবা পান।

 

তিনি আরও বলেন, সরকার স্বাস্থ্যসেবাকে শহরকেন্দ্রিক না রেখে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও সমানভাবে পৌঁছে দিতে কাজ করছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে হাসপাতালের অবকাঠামো উন্নয়ন, জনবল বৃদ্ধি এবং চিকিৎসাসেবার মানোন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

 

 

 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, স্বাস্থ্যখাতে দীর্ঘমেয়াদি সুফল পেতে রোগ প্রতিরোধমূলক কার্যক্রমকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তিনি জানান, মানুষকে অসুস্থ হওয়ার পর চিকিৎসা দেওয়ার পাশাপাশি আগে থেকেই সচেতন করে তুলতে সরকার বিশেষ উদ্যোগ নিচ্ছে। এ লক্ষ্যে নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত স্বাস্থ্যকর্মীদের প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে, যাতে তারা বাড়ি বাড়ি গিয়ে স্বাস্থ্যবিষয়ক পরামর্শ, সচেতনতামূলক প্রচারণা এবং প্রতিরোধমূলক সেবার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারেন।

 

চিকিৎসকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, রোগীরা চিকিৎসকের ওপর সর্বোচ্চ আস্থা রেখেই চিকিৎসা নিতে আসেন। তাই পেশাগত দক্ষতার পাশাপাশি মানবিকতা, আন্তরিকতা ও দায়িত্ববোধের সঙ্গে সেবা নিশ্চিত করতে হবে।

 

এ সময় তিনি দেশের চিকিৎসকদের মানবিক সেবার প্রশংসা করে বলেন, আন্তরিক চিকিৎসাসেবা মানুষের আস্থা ও বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করে।

 

 অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষা, চিকিৎসা ও জাতীয় বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সময়ে অবদানের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, দেশের স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে প্রতিষ্ঠানটির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং ভবিষ্যতেও সেই অবদান অব্যাহত থাকবে।


দেশজুড়ে/ডেস্ক