সৌদিগামী ১১৪ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৭ হাজার যাত্রী

দেশজুড়ে ডেস্ক

দেশজুড়ে ডেস্ক

প্রকাশিত: ১৮ অক্টোবর ২০২৬ , ০৯:৩১ এএম

অনলাইন সংস্করণ

সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোতে হামলার পর ফ্লাইট পরিচালনায় নানা বিধি-নিষেধের প্রভাব পড়েছে বিমান চলাচলে। এ কারণে বাংলাদেশ থেকে সৌদিগামী এবং সৌদি আরব হয়ে বিভিন্ন গন্তব্যে যাতায়াতকারী এয়ারলাইনসগুলোর মোট ১১৪টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন ১৭ হাজার ৭০১ জন যাত্রী।

 বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে ৫০টি সরাসরি ফ্লাইট এবং ৬৪টি ট্রানজিট ফ্লাইট। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে যাত্রীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে রিয়াদ রুটে সব ফ্লাইট অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। শনিবার (১৭ অক্টোবর) বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিয়াদ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরবর্তী নির্দেশনা পাওয়ার পর ওই রুটে ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ বিষয়ে যাত্রীদের যথাসময়ে অবহিত করা হবে। বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সহকারী পরিচালক কাউসার মাহমুদের তথ্য অনুযায়ী, পরিচালনাগত বিধি-নিষেধের কারণে সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৮টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ১২টি এবং রিয়াদ এয়ারের ১০টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।


 অন্যদিকে, ট্রানজিট ফ্লাইটের মধ্যে ইন্ডিগোর ২২টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, সালাম এয়ারের সাতটি, ফ্লাই দুবাইয়ের ছয়টি, এয়ার ইন্ডিয়ার পাঁচটি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট বাতিলের তালিকায় রয়েছে।

এদিকে সৌদি আরবের জেদ্দা ও মদিনা রুটে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানিয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। জরুরি প্রয়োজনে যাত্রীরা এসব বিমানবন্দর ব্যবহার করে সৌদি আরবে যাতায়াত করতে পারবেন। যাত্রীদের চাহিদা বিবেচনায় মদিনা রুটে বেশি যাত্রী বহনে সক্ষম উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হচ্ছে।


এ ব্যবস্থা ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত বহাল থাকবে। ১৯ অক্টোবর থেকে এ রুটে আগের মতো বোয়িং ৭৮৭ উড়োজাহাজ চালানোর পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জেদ্দা রুটে অতিরিক্ত ফ্লাইট পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে, আগামী ২১ অক্টোবর থেকে দাম্মাম রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালুর পরিকল্পনা রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের। তবে এ ক্ষেত্রে দাম্মাম বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন। অনুমতি পাওয়া এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।