কয়েক দিনের ব্যবধানে বাড়ল বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

প্রকাশিত: ১১ অক্টোবর ২০২৬ , ১১:১৩ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

 নিজস্ব প্রতিবেদক: বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে কিছুটা প্রবৃদ্ধি হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে দেশের মোট রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ২১ বিলিয়ন ডলারে। অন্যদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার। রোববার (১১ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান রিজার্ভের সর্বশেষ এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ৮ অক্টোবর দেশের মোট রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলার। ওই সময় বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১ দশমিক ৩৪ বিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ, কয়েক দিনের ব্যবধানে উভয় হিসাবেই রিজার্ভ বেড়েছে। এর আগে ৭ অক্টোবর বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ১২ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ছিল ৩১ দশমিক ৩১ বিলিয়ন ডলার।


 ২৯ সেপ্টেম্বর এই দুই হিসাবে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল যথাক্রমে ৩৬ দশমিক ১৪ বিলিয়ন ও ৩১ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার। সেপ্টেম্বরের প্রথমার্ধে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বর্তমান সময়ের তুলনায় বেশি ছিল।


 বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, ১৬ সেপ্টেম্বর কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩৬ দশমিক ৩২ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে এর পরিমাণ ছিল ৩১ দশমিক ৪৬ বিলিয়ন ডলার। এর আগে ৮ সেপ্টেম্বর নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ছিল ৩১ দশমিক ৫২ বিলিয়ন ডলার।

এদিকে, এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) জুলাই ও আগস্ট মাসের আমদানি বিল বাবদ ১ দশমিক ৩৯ বিলিয়ন ডলার পরিশোধের পর গত ৬ সেপ্টেম্বর দেশের রিজার্ভ কমে আসে। ওই দিন বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাবে রিজার্ভ ছিল ৩৬ দশমিক ৩৮ বিলিয়ন ডলার এবং বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে ছিল ৩১ দশমিক ৪৭ বিলিয়ন ডলার। এর আগে ১ সেপ্টেম্বর দেশের মোট রিজার্ভ ছিল ৩৭ দশমিক ৪০ বিলিয়ন ডলার।

 আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে এর পরিমাণ ছিল ৩২ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব হিসাব ও আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ আলাদা হয় হিসাব পদ্ধতির পার্থক্যের কারণে। তাই বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিস্থিতি মূল্যায়নে উভয় হিসাবই বিবেচনায় নেওয়া হয়।