দেশজুড়ে ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩১ মে ২০২৬ , ১০:০৭ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ইরান
ও ইসরাইলের সাম্প্রতিক সংঘাতকে ঘিরে নতুন এক আন্তর্জাতিক প্রতিবেদন
আলোচনার জন্ম দিয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে দাবি
করা হয়েছে, সংঘাত চলাকালে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরাসরি সামরিক তৎপরতায় অংশ নিয়েছিল এবং ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালাতে সহযোগিতা করেছিল।
প্রতিবেদনে
বলা হয়, সংঘাতের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের গোয়েন্দা
তথ্যের ভিত্তিতে বিভিন্ন সামরিক অভিযান পরিচালিত হয়। এতে ইরানের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি ও শিল্প স্থাপনাকে
লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল বলে দাবি করা হয়েছে।
এছাড়া
যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরও কিছু সামরিক কার্যক্রম অব্যাহত ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট
দেশগুলোর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
প্রতিবেদনে
আরও বলা হয়েছে, উপসাগরীয় অঞ্চলের কয়েকটি দেশ শুরুতে ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে নিজেদের ভূখণ্ড বা আকাশসীমা ব্যবহারের
অনুমতি না দেওয়ার অবস্থান
নিলেও পরবর্তীতে পরিস্থিতির পরিবর্তন ঘটে।
সংঘাত
চলাকালে ইরানের পাল্টা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলার
ফলে আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি জটিল হয়ে ওঠে। এতে উপসাগরীয় অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামো ও বাণিজ্যিক কার্যক্রম
নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়।
একই
সময়ে সৌদি আরব আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও জ্বালানি বাজারের
নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কূটনৈতিক সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্লেষকদের
মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা শুধু আঞ্চলিক নয়, বৈশ্বিক অর্থনীতি ও জ্বালানি বাজারের
ওপরও দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর মধ্যে কূটনৈতিক যোগাযোগ ও উত্তেজনা প্রশমনের
উদ্যোগ আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
উল্লেখ্য,
প্রতিবেদনে উত্থাপিত দাবিগুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করলেও সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর আনুষ্ঠানিক অবস্থান ও স্বাধীনভাবে যাচাইকৃত
তথ্যের জন্য এখনো অপেক্ষা করা হচ্ছে।