দেশজুড়ে ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩ এপ্রিল ২০২৬ , ০৩:৪২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
চৈত্র
মাসের প্রথম দুই সপ্তাহ ছিল তুলনামূলক স্বস্তিদায়ক। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রায় প্রতিদিনই হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কালবৈশাখী ঝড় বয়ে গেছে।
কোথাও হালকা বৃষ্টি, কোথাও ভারী বর্ষণ, আবার কোথাও বজ্রপাত ও শিলাবৃষ্টির ঘটনা
ঘটেছে।
মার্চ
মাসে স্বাভাবিকের তুলনায় প্রায় ৩১ শতাংশ বেশি
বৃষ্টিপাত হওয়ায় তাপমাত্রা খুব বেশি বাড়েনি। এ সময় সর্বোচ্চ
তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে প্রায় ০.৪ ডিগ্রি
সেলসিয়াস কম ছিল, যা
গরমের তীব্রতা কিছুটা কমিয়ে রেখেছিল।
তবে
১৫ চৈত্রের পর থেকে আবহাওয়ার
চিত্র বদলাতে শুরু করেছে। ধীরে ধীরে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং সূর্যের তাপ আরও প্রখর হয়ে উঠছে। আবহাওয়াবিদদের মতে, সামনে চৈত্র ও বৈশাখ মাসজুড়ে
গরমের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।
আবহাওয়া
অধিদপ্তরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, এপ্রিল মাসে দেশে ২ থেকে ৪টি
মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যেতে পারে। এতে তাপমাত্রা ৩৬ থেকে ৩৯.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস
পর্যন্ত উঠতে পারে। পাশাপাশি ১ থেকে ২টি
তীব্র তাপপ্রবাহের সম্ভাবনাও রয়েছে, যার ফলে তাপমাত্রা ৪২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের
কাছাকাছি পৌঁছাতে পারে।
শুধু
তাপপ্রবাহই নয়, এই সময় আবহাওয়ায়
বৈচিত্র্যও দেখা যেতে পারে। তাপমাত্রা বৃদ্ধির প্রভাবে বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপ সৃষ্টি হতে পারে, যা পরবর্তীতে নিম্নচাপ
এবং শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নিতে পারে। একই সঙ্গে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়, শিলাবৃষ্টি ও বজ্রবৃষ্টির আশঙ্কাও
রয়েছে।
আবহাওয়াবিদরা সতর্ক করে বলেছেন, এই সময় তাপদাহের পাশাপাশি আকস্মিক ঝড়-বৃষ্টির কারণে জনজীবনে ভোগান্তি বাড়তে পারে। তাই আগাম প্রস্তুতি নেওয়া এবং আবহাওয়ার সর্বশেষ তথ্যের প্রতি নজর রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
দেশজুড়ে/সবুজ
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10