দেশজুড়ে ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩১ মার্চ ২০২৬ , ০২:২৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
দেশের
৬৪ জেলায় শান্তিপূর্ণভাবে ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছে
বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি। সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে,
গণতান্ত্রিক উপায়ে এই দাবি আদায়ে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহেই শুরু হবে কর্মসূচি।
মঙ্গলবার
(৩১ মার্চ) এক বিবৃতিতে সমিতির আহ্বায়ক আবদুল মালেক জানান, আংশিকভাবে হলেও ৯ম পে স্কেল
বাস্তবায়ন এখন সময়ের দাবি। এতে সরাসরি উপকৃত হবে প্রায় ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী ও তাদের
পরিবার।
বিবৃতিতে
তিনি বলেন, “যারা দেশের বিভিন্ন জেলায় কর্মরত এবং পে স্কেলের প্রত্যাশা করেন, তাদের
সবাইকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।”
তিনি
অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ২০১৫ সালে প্রবর্তিত পে স্কেলে কর্মচারীদের
ন্যায্য সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। একই সময়ে তিনটি টাইম স্কেল ও একটি সিলেকশন
গ্রেড বাতিল করায় অনেক কর্মচারী পদোন্নতি ও আর্থিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে দাবি
করেন তিনি।
আবদুল
মালেক আরও বলেন, ২০১৫ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে বেতন কাঠামোর
কোনো সমন্বয় করা হয়নি। পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানের পর গঠিত অন্তর্বর্তীকালীন সরকার নবম
পে কমিশন গঠন করে সুপারিশ প্রণয়ন করলেও তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি।
তার
দাবি, চাইলে সরকার প্রজ্ঞাপন জারি করে এই পে স্কেল কার্যকর করতে পারত। বরং বিষয়টি ভবিষ্যৎ
নির্বাচিত সরকারের ওপর চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
আসন্ন
২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে ৯ম পে স্কেলের
জন্য বরাদ্দ রাখার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান উচ্চ মূল্যস্ফীতির বাজারে নিম্ন
আয়ের কর্মচারীরা কঠিন জীবনযাপন করছেন।
এ
প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে এ বিষয়ে
যে অঙ্গীকার করেছেন, তা বাস্তবায়নে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়, এখন সেটিই দেখার বিষয়।
সরকারি কর্মচারীদের এই ঘোষণার পর দেশজুড়ে পে স্কেল ইস্যুতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
দেশজুড়ে/সবুজ