দেশজুড়ে ডেস্ক
প্রকাশিত: ৩১ মে ২০২৬ , ০২:৪৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ঢাকা
দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) চলতি ঈদুল আজহায় কুরবানির বর্জ্য অপসারণে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি সফলতা অর্জন করেছে। কুরবানি কার্যক্রম শুরুর পর তিন দিনের
মধ্যে সংস্থাটি মোট ৩৬ হাজার ৮৬
টন বর্জ্য অপসারণ করেছে বলে জানিয়েছে।
রোববার
নগর ভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে
ডিএসসিসি প্রশাসক মো. আব্দুস সালাম এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, এবার কুরবানির বর্জ্য অপসারণের জন্য প্রাথমিকভাবে ৩৪ হাজার টনের
লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের নিরবচ্ছিন্ন প্রচেষ্টায় সেই লক্ষ্য অতিক্রম করে আরও বেশি বর্জ্য অপসারণ সম্ভব হয়েছে।
প্রশাসক
জানান, এ কার্যক্রমে প্রায়
সাড়ে ১৩ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী
এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা অংশ নেন। তাদের সমন্বিত প্রচেষ্টার ফলে নগরীর বিভিন্ন এলাকা দ্রুত পরিষ্কার করা সম্ভব হয়েছে।
তবে
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পশুর হাটের বর্জ্য পরিষ্কার করতে ব্যর্থ হওয়ায় ১১টি অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারাদারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের জামানত বাজেয়াপ্ত করার পাশাপাশি তাদের স্থায়ীভাবে কালো তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রশাসক।
তিনি
আরও বলেন, ভবিষ্যতে পশুর হাট ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে আগামী বছর থেকে ইজারাদারদের জামানতের পরিমাণ বাড়ানো হবে। পাশাপাশি হাটের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় কোনো ধরনের অবহেলা সহ্য করা হবে না এবং এ
বিষয়ে কঠোর অবস্থান বজায় রাখা হবে।
ডিএসসিসির
দাবি, ঈদ-পরবর্তী সময়ে
নগরীকে দ্রুত পরিচ্ছন্ন ও দুর্গন্ধমুক্ত রাখতে
দিনরাত কাজ করেছেন পরিচ্ছন্নতাকর্মীরা। বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রমে ‘জিরো টলারেন্স’
নীতি অনুসরণের ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই অধিকাংশ এলাকা পরিষ্কার করা সম্ভব হয়েছে।
দেশজুড়ে/সবুজ