দেশজুড়ে ডেস্ক
প্রকাশিত: ১৫ মার্চ ২০২৬ , ০১:৫৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
দক্ষিণ
কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ
সামরিক মহড়া চলাকালে জাপান সাগরের দিকে ১০টিরও বেশি ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে উত্তর কোরিয়া। শনিবার (১৪ মার্চ) পিয়ংইয়ংয়ের
কাছাকাছি সুনান এলাকা থেকে এসব ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ করা হয় বলে জানিয়েছে
দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপানের প্রতিরক্ষা
কর্তৃপক্ষ।
দক্ষিণ
কোরিয়ার জয়েন্ট চিফস অব স্টাফ (জেসিএস)
জানায়, স্থানীয় সময় দুপুর ১টা ২০ মিনিটের দিকে
ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপণ শুরু হয়। নিক্ষেপ করা ক্ষেপণাস্ত্রগুলো প্রায় ৩৫০ কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে এবং প্রায় ৮০ কিলোমিটার উচ্চতায়
পৌঁছায়।
জাপানের
প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি বলেন, ক্ষেপণাস্ত্রগুলো জাপানের একচেটিয়া অর্থনৈতিক অঞ্চল (ইইজেড)-এর বাইরে সাগরে
পতিত হয়েছে। এ ঘটনায় কোনো
জাহাজ বা বিমানের ক্ষয়ক্ষতির
খবর পাওয়া যায়নি।
বিশ্লেষকদের
মতে, সিউল ও ওয়াশিংটনের চলমান
১১ দিনব্যাপী ‘ফ্রিডম শিল্ড’ সামরিক মহড়ার প্রতিক্রিয়া হিসেবেই এই ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ
করেছে পিয়ংইয়ং। উত্তর কোরিয়া দীর্ঘদিন ধরেই এই ধরনের যৌথ
মহড়াকে নিজেদের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য আগ্রাসনের প্রস্তুতি হিসেবে আখ্যা দিয়ে আসছে।
এর
আগে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের বোন
কিম ইয়ো জং সতর্ক করে
বলেছিলেন, মহড়া চালিয়ে গেলে সিউল ও ওয়াশিংটনকে “অকল্পনীয়
ভয়াবহ পরিণতি” ভোগ করতে হতে পারে।
উত্তর
কোরিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানিয়েছে, দেশটির নেতা কিম জং উন নিজ
কন্যাসহ ১২টি আল্ট্রা-প্রিসিশন রকেট লঞ্চার সিস্টেমের পরীক্ষা সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন। তিনি বলেন, এই পরীক্ষা শত্রুপক্ষকে
উত্তর কোরিয়ার ট্যাকটিক্যাল পারমাণবিক অস্ত্রের সম্ভাব্য ধ্বংসাত্মক সক্ষমতা সম্পর্কে বার্তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়েছে।
বিশ্লেষকদের
মতে, মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের মনোযোগ সেদিকে থাকার সময় এ ধরনের বড়
আকারের ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করতে পারে।
সূত্র:
রয়টার্স।