দেশজুড়ে ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৯ মার্চ ২০২৬ , ১১:২৯ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
মধ্যপ্রাচ্যে
ইসরাইল ও ইরানের চলমান
সংঘাত দশম দিনে গড়িয়েছে। পাল্টাপাল্টি হামলার এই পরিস্থিতিতে ইরানের
পক্ষ থেকে তেল আবিবসহ বিভিন্ন এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
চালানো হচ্ছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তবে এসব হামলায় প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির তথ্য পুরোপুরি প্রকাশ করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ
উঠেছে।
এ
বিষয়ে দখলকৃত পশ্চিম তীরের রামাল্লাহ থেকে প্রতিবেদন দিয়েছেন Al Jazeera–এর
সাংবাদিক Nour Odeh।
তিনি জানিয়েছেন, চলমান সংঘাতের পুরো সময়জুড়ে ইসরাইলের সামরিক সেন্সরশিপ অত্যন্ত কঠোরভাবে কার্যকর রয়েছে।
তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইরান বা হিজবুল্লাহর ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট ঠিক কোথায় আঘাত হানছে এবং কতগুলো নিক্ষেপ করা হচ্ছে—এসব তথ্য প্রকাশে কার্যত একটি ‘সংবাদ ব্ল্যাকআউট’ চলছে। এমনকি কোনো সাংবাদিক সরাসরি সম্প্রচারে কর্তৃপক্ষের নির্ধারিত সীমার বাইরে তথ্য দিলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।
এদিকে সোমবার (৯ মার্চ) তেল
আবিবের কাছে অবস্থিত Ben Gurion Airport–এর পার্শ্ববর্তী
এলাকায় ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় হতাহতের খবর পাওয়া গেছে। ইসরাইলের পক্ষ থেকে একজন নিহত ও দুজন আহত
হওয়ার তথ্য প্রকাশ করা হলেও প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃতি দিয়ে কিছু প্রতিবেদনে নিহতের সংখ্যা দুইজন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, ইরানের ছোড়া কয়েকটি ক্ষেপণাস্ত্রে ‘ক্লাস্টার ওয়ারহেড’ বা গুচ্ছ বোমা থাকতে পারে। এ ধরনের অস্ত্র আঘাত হানার সময় খণ্ডিত হয়ে বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে এবং বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি করে।
এছাড়া লক্ষ্যবস্তু হওয়া এলাকাগুলোতে অবিস্ফোরিত গোলা বা ধ্বংসাবশেষ রয়েছে
কিনা তা নিশ্চিত করতে
উদ্ধারকারী দলগুলোর দীর্ঘ সময় লাগছে বলে জানা গেছে। ফলে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত চিত্র দ্রুত জানা কঠিন হয়ে পড়েছে।
এই
পরিস্থিতিতে বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করছেন, নিরাপত্তাজনিত কারণ দেখিয়ে তথ্য প্রকাশে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হলেও এর ফলে হামলার
প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতির চিত্র জনসমক্ষে পুরোপুরি আসছে না।