দেশজুড়ে ডেস্ক
প্রকাশিত: ২০ মার্চ ২০২৬ , ০২:৩০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ইরানের
সঙ্গে চলমান সংঘাত চতুর্থ সপ্তাহে গড়ালেও সেখানে আপাতত মার্কিন স্থলসেনা পাঠানোর কোনো
পরিকল্পনা নেই বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার
(১৯ মার্চ) হোয়াইট হাউস-এর ওভাল অফিসে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি-র সঙ্গে
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
তবে
সরাসরি সেনা মোতায়েনের সম্ভাবনা পুরোপুরি নাকচ না করে ট্রাম্প বলেন, যদি এমন কোনো পরিকল্পনা
থাকত, তবে তিনি তা আগেভাগে প্রকাশ করতেন না।
একই
সঙ্গে তিনি দাবি করেন, সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের পারমাণবিক সক্ষমতা ‘বিধ্বস্ত’ হয়েছে। তবে ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়া পারমাণবিক উপকরণগুলো
উদ্ধারের বিষয়টি এখন বিবেচনায় রয়েছে ওয়াশিংটনের। বিশ্লেষকদের মতে, এমন অভিযান চালাতে
হলে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মার্কিন সেনা মোতায়েন প্রয়োজন হতে পারে।
এদিকে
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি এলাকায় তেলবাহী জাহাজ চলাচল নিরাপদ রাখতে নৌ
ও বিমানবাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনাও রয়েছে বলে জানা গেছে।
এর
আগে চলতি মাসের শুরুতে নিউ ইয়র্ক পোস্ট-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প ইরানে স্থলসেনা
পাঠানোর সম্ভাবনা পুরোপুরি উড়িয়ে দেননি। তিনি বলেছিলেন, প্রয়োজন হলে এ ধরনের সিদ্ধান্ত
নিতে দ্বিধা করবেন না। একইভাবে মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথ-ও জানিয়েছেন, সামরিক
পদক্ষেপের পরিসর আগাম প্রকাশ করা হবে না।
উল্লেখ্য,
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি সংঘাত শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ১৩ জন মার্কিন সেনা নিহত এবং প্রায়
২০০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড।
যুদ্ধ
পরিস্থিতি নিয়ে মিশ্র সংকেতের মধ্যেই ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরান সফর—যাকে তিনি ‘ছোট ভ্রমণ’ হিসেবে
উল্লেখ করেছেন—সফল হয়েছে এবং নির্ধারিত সময়ের চেয়েও
দ্রুত অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, অতীতে কোনো মার্কিন প্রেসিডেন্ট এমন সাহসী পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নেননি, যা তিনি বাস্তবায়ন করেছেন।
দেশজুড়ে/সবুজ