দেশজুড়ে ডেস্ক
প্রকাশিত: ২৯ মে ২০২৬ , ০২:২৩ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
আসন্ন
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপকে সামনে রেখে আর্জেন্টিনা দল ঘোষণা করেছেন
কোচ লিওনেল স্কালোনি। দলটির নেতৃত্বে থাকছেন অধিনায়ক লিওনেল মেসি। ফলে ষষ্ঠবারের মতো বিশ্বকাপের মঞ্চে দেখা যাবে আর্জেন্টাইন এই মহাতারকাকে।
বিশ্বকাপ
সামনে রেখে মেসির অংশগ্রহণ নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা ছিল। বয়স এবং শারীরিক সক্ষমতার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে তিনি নিজেও আগেই ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত নয়। তবে শেষ পর্যন্ত অভিজ্ঞ এই ফুটবলারকে নিয়েই
পরিকল্পনা সাজিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
ক্যারিয়ারে
প্রায় সব বড় শিরোপাই
জিতেছেন মেসি। ২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্ন পূরণের পর এবার অনেকটাই
চাপমুক্ত থাকার সুযোগ ছিল তার সামনে। কিন্তু বাস্তবতা বলছে ভিন্ন কথা। মাঠে নামলেই বিশ্বজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবেন তিনি, থাকবে প্রত্যাশার চাপও।
এবারের
বিশ্বকাপে মেসির অন্যতম বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে
উঠতে পারে আনহেল দি মারিয়ার অনুপস্থিতি।
আর্জেন্টিনার সাম্প্রতিক বড় শিরোপাগুলোর ফাইনালে
গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল দি মারিয়ার। বিশেষ
করে ২০২১ কোপা আমেরিকা, ফিনালিসিমা এবং ২০২২ বিশ্বকাপ ফাইনালে তার গোল দলকে শিরোপা জিততে সহায়তা করে।
ফুটবল
বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, বড় ম্যাচে মেসির
সাফল্যের সঙ্গে দি মারিয়ার অবদানও
গভীরভাবে জড়িত ছিল। যদিও ২০২৪ কোপা আমেরিকায় আর্জেন্টিনা তুলনামূলকভাবে অন্যদের পারফরম্যান্সে সফল হয়েছে, তবুও বিশ্বকাপের মতো বড় মঞ্চে দি
মারিয়াহীন আর্জেন্টিনা কতটা সফল হবে তা নিয়ে আলোচনা
রয়েছে।
তবে
সমালোচনা ও নানা তত্ত্বকে
ভুল প্রমাণ করার ইতিহাসও কম নয় মেসির।
ক্লাব ও জাতীয় দল— দুই
পর্যায়েই তিনি বহুবার নিজের সামর্থ্যের প্রমাণ দিয়েছেন। নেতৃত্ব, পারফরম্যান্স এবং চাপ সামলানোর দক্ষতায় তিনি নিজেকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।
তাই
শেষ বিশ্বকাপের মঞ্চে এবার মেসির সামনে নতুন এক পরীক্ষা অপেক্ষা
করছে। অভিজ্ঞ এই তারকা আবারও
দলকে সাফল্যের পথে নিতে পারেন কি না, সেটিই
এখন ফুটবল বিশ্বের অন্যতম বড় আলোচনার বিষয়।