দেশজুড়ে ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ , ১২:৩১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
বাংলাদেশ
ক্রিকেট প্রশাসনে নতুন করে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড-এর সর্বশেষ নির্বাচনকে
ঘিরে। গত অক্টোবরের নির্বাচনে
অনিয়মের অভিযোগ তদন্ত করে তৈরি করা প্রতিবেদন ইতোমধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল-এর কাছে পাঠিয়েছে
জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, আজ অথবা আগামীকালের
মধ্যেই আইসিসির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া
আসতে পারে।
এ
পরিস্থিতিতে বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ ভেঙে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা জোরদার হয়েছে। একটি বিশ্বস্ত সূত্রের দাবি, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে
বোর্ডে বড় ধরনের পরিবর্তন এলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। যদিও সংশ্লিষ্ট অনেকেই মনে করছেন, বিষয়টি এত দ্রুত ঘটার
সম্ভাবনা কম।
ক্রিকেট
সংশ্লিষ্ট মহলে এমন ধারণাও রয়েছে যে, নিউজিল্যান্ড সিরিজের আগেই বর্তমান বোর্ডের কার্যক্রমে পরিবর্তন আসতে পারে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিসিবির এক কর্মকর্তা বলেন,
প্রশাসনিক কাজ যেভাবেই হোক চালিয়ে যেতে হবে, তবে চলমান পরিস্থিতিতে অস্থিরতা বাড়ছে।
এরই
মধ্যে তদন্ত কমিটি তাদের রিপোর্ট জমা দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদে, যা পরবর্তীতে আইসিসিতে
পাঠানো হয়। সূত্র অনুযায়ী, তদন্তে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার ঘাটতির প্রমাণ পাওয়া গেছে। এমনকি বর্তমান পরিচালকদের মধ্য থেকেও কয়েকজন এ বিষয়ে তথ্য
দিয়েছেন।
যদি
বর্তমান পরিচালনা পর্ষদ বিলুপ্ত হয়, তাহলে তিন মাসের জন্য ১৫ সদস্যের একটি
অ্যাডহক কমিটি গঠনের পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানা গেছে। এ জন্য একটি
প্রাথমিক তালিকাও প্রস্তুত করা হয়েছে, যেখানে সাবেক ক্রিকেটার, সাংবাদিক ও সংগঠকদের অন্তর্ভুক্ত
করা হতে পারে।
বর্তমানে
বিসিবির ২৫ পরিচালকের মধ্যে
সক্রিয় আছেন ১৭ জন। দায়িত্ব
নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে সাতজন পরিচালক পদত্যাগ করেছেন, যা বোর্ডের স্থিতিশীলতাকে
আরও প্রশ্নবিদ্ধ করেছে।
এদিকে
গত শনিবার এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে
বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল বলেন, তিনি বোর্ড ছেড়ে যাওয়া শেষ ব্যক্তি হবেন। তার এই বক্তব্য নতুন
করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
সব
মিলিয়ে, আইসিসির সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় এখন দেশের ক্রিকেট অঙ্গন। সেই সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে বিসিবির বর্তমান পরিচালনা পর্ষদের ভবিষ্যৎ।