দেশজুড়ে ডেস্ক
প্রকাশিত: ২১ জুন ২০২৬ , ১১:৩৫ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
বিশ্বকাপের মঞ্চে নিজের প্রথম শুরুর একাদশে নেমেই ইতিহাসের পাতায় নাম লিখিয়েছেন স্পেনের তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামাল। সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচের মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যেই গোল করে দলকে এগিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি গড়েছেন অনন্য এক রেকর্ড।
মাত্র ১৮ বছর বয়সী ইয়ামালের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স আবারও প্রমাণ করেছে, তাকে ঘিরে ফুটবল বিশ্বের আগ্রহ ও প্রত্যাশা যথার্থ। আটলান্টায় অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। এর ফলও দ্রুত পায় ইউরোপের দলটি। ম্যাচের শুরুতেই ইয়ামালের গোলে এগিয়ে যায় তারা।
এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে নতুন অধ্যায় যোগ করেন ইয়ামাল। ১৮ বছর বা তার কম বয়সে বিশ্বকাপে ম্যাচের প্রথম গোল করা খেলোয়াড়দের তালিকায় তিনি জায়গা করে নেন। এর আগে একমাত্র এই কীর্তি ছিল ব্রাজিলের কিংবদন্তি পেলের। ১৯৫৮ সালের বিশ্বকাপে ১৭ বছর বয়সে ওয়েলসের বিপক্ষে গোল করে এই রেকর্ড গড়েছিলেন পেলে। প্রায় সাত দশক পর সেই তালিকায় নাম উঠল ইয়ামালের।
বিশ্বকাপের মঞ্চে দুর্দান্ত সূচনা করেছে স্পেন। তরুণ তারকা লামিনে ইয়ামালের ইতিহাস গড়া গোল এবং মিকেল ওয়ারসাবালের জোড়া গোলে সৌদি আরবের বিপক্ষে বড় ব্যবধানের জয় তুলে নিয়েছে ইউরোপের শক্তিশালী দলটি। ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে স্পেন। মাত্র ১০ মিনিটেই ইয়ামালের দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে এগিয়ে যায় দল।
এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে ১৮ বছর বা তার কম বয়সে ম্যাচের প্রথম গোল করা খেলোয়াড়দের তালিকায় জায়গা করে নেন তিনি। এরপরও স্পেনের আক্রমণের ধার কমেনি। একের পর এক চাপ তৈরি করে প্রতিপক্ষের রক্ষণভাগকে ব্যস্ত রাখে তারা। সেই ধারাবাহিকতায় ওয়ারসাবালের জোড়া গোলে ব্যবধান বাড়ায় স্পেন।
তরুণ প্রতিভা, অভিজ্ঞ খেলোয়াড়দের নেতৃত্ব এবং দলীয় সমন্বয়ের মাধ্যমে স্পেন নিজেদের শক্তির পরিচয় দিয়েছে। বিশ্বকাপের শুরুতেই এমন পারফরম্যান্স দেখিয়ে শিরোপার অন্যতম দাবিদার হিসেবে নিজেদের অবস্থান জানান দিয়েছে ‘লা রোজা’।
ইয়ামালের ঐতিহাসিক মুহূর্ত ও ওয়ারসাবালের গোল উৎসব স্প্যানিশ সমর্থকদের জন্য এনে দিয়েছে বড় প্রত্যাশা। আসরের বাকি ম্যাচগুলোতেও এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চায় দলটি।
ইয়ামালের গোলের পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে স্পেন। বল দখল, দ্রুত পাসিং ও আক্রমণের ধারাবাহিকতায় সৌদি আরবকে চাপে ফেলে দেয় বর্তমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা। ম্যাচের দ্বিতীয় গোলটি আসে কর্নার থেকে।
বক্সের ভেতরের জটলা থেকে দানি ওলমো বল সামনে বাড়িয়ে দিলে এমেরিক লাপোর্তের স্পর্শে তা দিক পরিবর্তন করে। সুযোগ কাজে লাগিয়ে মিকেল ওয়ারসাবাল নিখুঁত শটে বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন। এরপরও থামেনি স্পেনের গোল উৎসব। দ্রুত আক্রমণে তৃতীয় গোলটিও করেন ওয়ারসাবাল। সতীর্থদের কাছ থেকে পাওয়া বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ঠান্ডা মাথায় ফিনিশিংয়ে নিজের দ্বিতীয় গোল পূর্ণ করেন তিনি। মাত্র ২৪ মিনিটের মধ্যেই ৩-০ গোলে এগিয়ে যায় স্পেন। শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয় ‘লা রোজা’। সৌদি আরবকে প্রতিরোধের সুযোগ না দিয়ে আধিপত্য ধরে রাখে স্প্যানিশরা।
দেশজুড়ে/ডেস্ক