প্রকাশিত: ২০ মার্চ ২০২৬ , ০২:৫১ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
চলতি
মার্চের শুরুতে শ্রীলঙ্কার একটি বেসামরিক বিমানবন্দরে যুদ্ধবিমান নামানোর অনুমতি চাইলেও
তা প্রত্যাখ্যান করেছে সরকার। দেশটির প্রেসিডেন্ট অনুরা কুমারা দিশানায়েকে জানিয়েছেন,
জাতীয় স্বার্থ ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
শুক্রবার
(২০ মার্চ) পার্লামেন্টে দেওয়া ভাষণে তিনি বলেন, শ্রীলঙ্কার ভূখণ্ড কোনো পক্ষের সামরিক
সহায়তা বা বাধা প্রদানের কাজে ব্যবহার করতে দেওয়া হবে না। এ কারণে যুক্তরাষ্ট্রের অনুরোধ
সরাসরি নাকচ করা হয়েছে।
জানা
যায়, যুক্তরাষ্ট্র জিবুতির একটি ঘাঁটি থেকে দুটি যুদ্ধবিমান শ্রীলঙ্কার মত্তলা আন্তর্জাতিক
বিমানবন্দর-এ ৪ থেকে ৮ মার্চ পর্যন্ত রাখার অনুমতি চেয়েছিল। তবে এ প্রস্তাবে সম্মতি
দেয়নি কলম্বো।
একই
দিনে ইরান-ও তাদের তিনটি যুদ্ধজাহাজের জন্য শ্রীলঙ্কার বন্দরে নোঙরের অনুমতি চায়। প্রেসিডেন্ট
দিশানায়েকে বলেন, “আমরা যদি ইরানকে অনুমতি দিতাম, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রকেও একই সুযোগ
দিতে হতো।”
তিনি
আরও জানান, শেষ পর্যন্ত কোনো পক্ষকেই অনুমতি দেওয়া হয়নি এবং শ্রীলঙ্কা তার নিরপেক্ষ
অবস্থান বজায় রেখেছে।
এর
আগে ৪ মার্চ শ্রীলঙ্কার দক্ষিণ উপকূলের কাছে একটি ইরানি জাহাজে টর্পেডো হামলার ঘটনা
ঘটে, যাতে হতাহতের খবর পাওয়া যায়। পরবর্তীতে আরেকটি ইরানি জাহাজকে মানবিক বিবেচনায়
শ্রীলঙ্কার জলসীমায় প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয় এবং উদ্ধার হওয়া নাবিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত
করা হয়।
বিশ্লেষকদের
মতে, ভারত মহাসাগর অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মধ্যে শ্রীলঙ্কার এই সিদ্ধান্ত দেশটির
কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষার প্রচেষ্টারই প্রতিফলন।
উল্লেখ্য, শ্রীলঙ্কা একদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখছে, অন্যদিকে ইরানের সঙ্গেও বাণিজ্যিক সম্পর্ক অব্যাহত রেখেছে।
দেশজুড়ে/সবুজ
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10