দেশজুড়ে ডেস্ক
প্রকাশিত: ১২ এপ্রিল ২০২৬ , ০২:২২ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
শনিবার
রাতে একদিকে যখন জেডি ভ্যান্স পাকিস্তানে দাঁড়িয়ে ইরানের সঙ্গে আলোচনায় কোনো চুক্তি হয়নি বলে ঘোষণা দিচ্ছিলেন, অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ছিলেন সম্পূর্ণ ভিন্ন এক পরিবেশে—মিয়ামিতে একটি মিক্সড মার্শাল আর্টস (এমএমএ) লড়াই উপভোগে ব্যস্ত।
ট্রাম্পের সঙ্গে ওই সময় উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, তার পরিবারের কয়েক সদস্য, জনপ্রিয় পডকাস্টার জো রোগান এবং গায়ক Vanilla Iceসহ ইউএফসি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। খেলার উত্তেজনাপূর্ণ মুহূর্তে ট্রাম্পকে বিজয়ী যোদ্ধার জন্য থাম্বস আপ দিতে এবং হাসিমুখে হাইলাইট ভিডিও দেখতে দেখা যায়।
এদিকে
একই সময়ে ভ্যান্স সাংবাদিকদের জানান, “দুঃখজনক খবর হলো আমরা কোনো চুক্তিতে পৌঁছাতে পারিনি।” তার এই ঘোষণার সঙ্গে
ট্রাম্পের বিনোদনমূলক উপস্থিতির তীব্র বৈপরীত্য রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা সৃষ্টি করেছে।
ফ্লোরিডায়
যাওয়ার পথে ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি হোক বা না হোক—তা
তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। তার ভাষায়, “যাই হোক, আমরা জিতব। আমরা তাদের সামরিকভাবে পরাজিত করেছি।”
তবে
বিশ্লেষকরা বলছেন, বাস্তব পরিস্থিতি ততটা সহজ নয়। যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধি এবং জ্বালানির দাম বাড়ায় সাধারণ মানুষের ওপর চাপ বাড়ছে। সমালোচকদের দাবি, চলমান উত্তেজনা ও সংঘাত পরিস্থিতি
এই অর্থনৈতিক চাপে ভূমিকা রাখছে।
এদিকে
বিরোধী Democratic Party
নেতারা ট্রাম্পের বিরুদ্ধে অভিশংসনের আলোচনা তুলেছেন এবং তার মানসিক স্থিতিশীলতা নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন। ইরানকে কেন্দ্র করে তার কঠোর অবস্থান এমনকি কিছু দীর্ঘদিনের সমর্থকদের মধ্যেও উদ্বেগ তৈরি করেছে।
ওই
রাতে ট্রাম্পের পাশে ছিলেন তার কন্যা ইভাঙ্কা ট্রাম্প ও টিফানি ট্রাম্প
এবং ছেলে ডোনাল্ড ট্রাম্প জুনিয়র। তবে তার জামাতা জ্যারেড কুশনার উপস্থিত ছিলেন না; তিনি পাকিস্তানে ভ্যান্সের সঙ্গে আলোচনায় যুক্ত ছিলেন বলে জানা গেছে।
আলোচনা ব্যর্থতার এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সম্পর্ক কোন দিকে এগোবে, তা নিয়ে এখন আন্তর্জাতিক মহলে বাড়ছে অনিশ্চয়তা।
দেশজুড়ে/সবুজ