সীমান্তে নতুন কৌশল ভাবনায় বিএসএফ—নদী এলাকায় সাপ-কুমির ব্যবহারের প্রস্তাব আলোচনায়

প্রকাশিত: ০৭ এপ্রিল ২০২৬ , ১২:৩৯ পিএম

অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের নদী জলাভূমি এলাকায় নিরাপত্তা জোরদারে ভিন্নধর্মী একটি ধারণা বিবেচনা করছে বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) প্রস্তাব অনুযায়ী, এসব দুর্গম এলাকায় সাপ কুমির ব্যবহারের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সীমান্তের যেসব অংশে কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করা সম্ভব নয়বিশেষ করে নদী জলাভূমি অঞ্চলসেসব এলাকাকে নিরাপদ রাখতে এই ধারণা নিয়ে আলোচনা চলছে। প্রায় ,০৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত-এর মধ্যে আনুমানিক ১৭৫ কিলোমিটার অংশ নদী জলাভূমি হওয়ায় সেখানে অনুপ্রবেশ চোরাচালান নিয়ন্ত্রণ কঠিন হয়ে পড়ে।

 

বিএসএফের অভ্যন্তরীণ নির্দেশনায় মাঠ পর্যায়ের ইউনিটগুলোকে সম্ভাব্য ঝুঁকিপূর্ণ নদীপথ চিহ্নিত করার কথা বলা হয়েছে। এটিডিটারেন্স-ফার্স্টবা প্রতিরোধমূলক কৌশলের অংশ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, প্রস্তাবটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এবং বাস্তবায়ন হবে কি না তা নিশ্চিত নয়।

 

এদিকে সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদারে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারও বাড়াচ্ছে বাহিনীটি। ড্রোন, সেন্সর, নজরদারি ক্যামেরা অন্যান্য উন্নত সরঞ্জাম ব্যবহার করে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। পূর্ব সীমান্তে অনুপ্রবেশ চোরাচালান নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে এসব পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।

 

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়-এর ২০২৪-২৫ অর্থবছরের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, পাহাড়, নদী উপত্যকা অতিক্রম করে বিস্তৃত এই সীমান্তে বিএসএফকে নানা চ্যালেঞ্জের মুখে দায়িত্ব পালন করতে হয়। অবৈধ কার্যক্রম ঠেকাতে ধাপে ধাপে সীমান্তে বেড়া নির্মাণ আলোকসজ্জা বাড়ানোর কাজও চলছে।

 

সব মিলিয়ে, সীমান্ত নিরাপত্তায় নতুন কৌশল খোঁজার অংশ হিসেবে এই প্রস্তাব সামনে এলেও, বাস্তবায়নের আগে তা নিয়ে আরও বিস্তারিত পর্যালোচনা সিদ্ধান্তের অপেক্ষা রয়েছে।