দেশজুড়ে, ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৩ মার্চ ২০২৬ , ০১:৩৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
ইরান,
ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার
চলমান সংঘাত নিয়ে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে চীন। বেইজিং জানিয়েছে, তারা ইরানকে কোনো ধরনের সামরিক সহায়তা বা অস্ত্র সরবরাহ
করবে না। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সামরিক
অভিযানের কড়া সমালোচনা করেছে দেশটি।
চীনের
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা
হয়েছে, ইরানের প্রতি তাদের সমর্থন রাজনৈতিক ও নৈতিক পর্যায়ে
সীমাবদ্ধ। একই সঙ্গে তারা মনে করে, পারমাণবিক ইস্যুতে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোচ্ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক সামরিক পদক্ষেপ সেই প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করেছে এবং অঞ্চলটিকে অনিশ্চিত সংঘাতের দিকে ঠেলে দিয়েছে।
সোমবার (২ মার্চ) চীনের
পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ওমান, ইরান
ও ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে পৃথক ফোনালাপে পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি অবিলম্বে সংঘাত বন্ধ করে সংলাপে ফেরার আহ্বান জানান।
বেইজিং ইরানের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব ও স্বার্থ রক্ষার
অধিকারের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করলেও প্রতিশোধমূলক হামলার বিষয়ে সরাসরি কোনো অবস্থান দেয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীলতা চীনের অর্থনীতির ওপর বড় প্রভাব ফেলতে
পারে। চীনের মোট জ্বালানি তেলের প্রায় ৭০ শতাংশ আমদানি-নির্ভর, যার বড় অংশ হরমুজ
প্রণালী হয়ে আসে। ইরান ছাড়াও সৌদি আরব, ইরাক ও কুয়েত থেকে
তেল আমদানির ক্ষেত্রে এই নৌপথটি অত্যন্ত
গুরুত্বপূর্ণ। ফলে উপসাগরীয় অঞ্চলে উত্তেজনা বৃদ্ধি ও জ্বালানি অবকাঠামো
ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা বেইজিংকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।
আন্তর্জাতিক
সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমান পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না এলে বৈশ্বিক
জ্বালানি বাজার ও অর্থনীতিতে তার
প্রভাব পড়তে পারে।
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10