প্রকাশিত: ১২ মার্চ ২০২৬ , ১১:২৬ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
বাংলাদেশের
অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ বিবেচনা করছে ভারত সরকার। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, ভারতের অভ্যন্তরীণ চাহিদা ও শোধনাগারের সক্ষমতা
যাচাই করে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত
নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার
(১২ মার্চ) ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তিনি এ তথ্য জানান।
রণধীর
জয়সওয়াল বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতে জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের অনুরোধ জানিয়েছে। একই ধরনের অনুরোধ শ্রীলংকা ও মালদ্বীপও করেছে।
এসব অনুরোধ ভারতের প্রয়োজন ও শোধনাগারের সক্ষমতা
বিবেচনা করে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
তিনি
আরও বলেন, ভারত প্রতিবেশী দেশগুলোতে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ পরিশোধিত পেট্রোপণ্য রপ্তানি করে থাকে। বাংলাদেশেও দীর্ঘদিন ধরে ডিজেল সরবরাহ করছে ভারত। ২০০৭ সাল থেকে নুমালিগড় শোধনাগার থেকে বাংলাদেশে ডিজেল সরবরাহ শুরু হয় এবং বর্তমানে
সড়ক, রেল ও পাইপলাইনের মাধ্যমে
সেই সরবরাহ অব্যাহত রয়েছে।
২০১৭
সালে ভারতের নুমালিগড় রিফাইনারি লিমিটেড এবং বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের মধ্যে ডিজেল সরবরাহ সংক্রান্ত একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। সেই চুক্তির আওতায় নিয়মিত ডিজেল সরবরাহ চলছে বলে জানান ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র।
এর
আগে বুধবার সচিবালয়ে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী
ইকবাল হাসান মাহমুদের সঙ্গে বৈঠক করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। ওই বৈঠকের পর
উভয় পক্ষ থেকেই জানানো হয়, বাংলাদেশ অতিরিক্ত জ্বালানি সরবরাহের জন্য ভারতের কাছে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানিয়েছে।
এদিকে
একই ব্রিফিংয়ে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি হত্যার মামলার আসামিদের বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো বা তাদের সঙ্গে
বাংলাদেশি কর্মকর্তাদের কথা বলার অনুমতি দেওয়ার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে রণধীর জয়সওয়াল সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি বলেন, এ বিষয়ে পশ্চিমবঙ্গ
সরকারের পক্ষ থেকে যে বক্তব্য দেওয়া
হয়েছে, তার বাইরে নতুন করে কিছু বলার নেই।
এছাড়া বাংলাদেশের ডিজিএফআই প্রধানের সাম্প্রতিক ভারত সফর নিয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, তিনি ভারতে এসেছিলেন এবং রাইসিনা ডায়ালগের ফাঁকে ভারতীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে থাকতে পারেন।