প্রকাশিত: ২৬ মার্চ ২০২৬ , ০২:০০ পিএম
অনলাইন সংস্করণ
রাজবাড়ী,
২৬ মার্চ: রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে সংঘটিত মর্মান্তিক বাস দুর্ঘটনায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের
(জাবি) অর্থনীতি বিভাগের ৪৯তম ব্যাচের শিক্ষার্থী আহনাফ তাহমিদ খান রাইয়ানের মরদেহ
উদ্ধার ও শনাক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় ক্যাম্পাসজুড়ে নেমে এসেছে গভীর শোক।
বৃহস্পতিবার
ভোর ৫টার দিকে রাজবাড়ী সদর হাসপাতালে পরিবারের সদস্য ও সহপাঠীরা তার মরদেহ শনাক্ত করেন।
দুর্ঘটনার সময় একই বাসে রাইয়ানের মা, বড় বোন ও ভাগ্নেও ছিলেন।
এর
আগে বুধবার তার মা রেহেনা আক্তার (৫৯) এবং পরে তার ভাগ্নের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। গুরুতর
আহত অবস্থায় বড় বোন ডাক্তার নুসরাত জাহান খানকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। দুর্ঘটনার
পর দীর্ঘ সময় রাইয়ান ও তার ভাগ্নে নিখোঁজ ছিলেন। পরবর্তীতে ভাগ্নের মরদেহ উদ্ধার হলেও
রাইয়ানের খোঁজ পাওয়া যায়নি। অবশেষে বৃহস্পতিবার ভোরে তার মরদেহ শনাক্ত হয়।
রাজবাড়ী
ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের জয়েন্ট সেক্রেটারি নিলয় সাহা নীল জানান, রাইয়ান ছিলেন অত্যন্ত
সাংগঠনিক ও সংস্কৃতিমনা একজন মানুষ। দেশের বিভিন্ন স্থানে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল
সাংস্কৃতিক ও বিতর্ক কার্যক্রমে।
জাহাঙ্গীরনগর
বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, রাইয়ান
বিভাগটির জন্য নিবেদিতপ্রাণ একজন শিক্ষার্থী ছিলেন। যেকোনো প্রয়োজনে সবার আগে এগিয়ে
আসতেন তিনি। তার এই মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যাচ্ছে না।
জানা গেছে, ছুটি শেষে মা, বড় বোন ও ভাগ্নিকে নিয়ে ঢাকায় ফিরছিলেন রাইয়ান। তিনি রাজবাড়ীর ভবানীপুর গ্রামের বাসিন্দা এবং রাজবাড়ী ডিবেট অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক ছিলেন। পাশাপাশি জাবি ছাত্রকল্যাণ সমিতির সাবেক সভাপতির দায়িত্বও পালন করেছেন। স্কুলজীবন থেকেই বিতর্ক চর্চায় যুক্ত ছিলেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে তা আরও বিস্তৃত করেন।
এই মর্মান্তিক ঘটনায় তার পরিবার, সহপাঠী ও শিক্ষকসহ পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার শোকাহত।
দেশজুড়ে/সবুজ
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10
1
2
3
4
5
6
7
8
9
10