দেশজুড়ে ডেস্ক
প্রকাশিত: ০৪ এপ্রিল ২০২৬ , ১১:৫০ এএম
অনলাইন সংস্করণ
চাঁদের
উদ্দেশে যাত্রা করা Artemis II mission (আর্টেমিস–২
মিশন)–এর নভোচারীরা মহাকাশ থেকে পৃথিবীর দৃষ্টিনন্দন উচ্চ রেজল্যুশনের ছবি পাঠিয়েছেন।
ছবিগুলো তুলেছেন মিশনের কমান্ডার Reid Wiseman (রিড ওয়াইজম্যান) বলে জানিয়েছে NASA
(নাসা)।
চাঁদের
পথে যাত্রার গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ‘ইঞ্জিন বার্ন’ সফলভাবে
সম্পন্ন হওয়ার পরই এই অসাধারণ দৃশ্যগুলো ক্যামেরাবন্দি করা হয়। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম
BBC (বিবিসি) জানায়, নাসা প্রথম ছবিটির নাম দিয়েছে ‘হ্যালো ওয়ার্ল্ড’।
ছবিতে
নীল জলরাশির বিশাল Atlantic Ocean (আটলান্টিক মহাসাগর) স্পষ্টভাবে দেখা গেছে। সূর্যের
আলো আংশিকভাবে ঢাকা পড়ায় পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে একটি উজ্জ্বল পাতলা রেখা তৈরি হয়েছে। একই
সঙ্গে দুই মেরুতে সবুজ আভায় দেখা গেছে মেরুজ্যোতি বা অরোরা।
ছবিতে
পৃথিবীকে কিছুটা উল্টোভাবে দেখা যায়—বাম পাশে Western Sahara (পশ্চিম সাহারা)
ও Iberian Peninsula (আইবেরীয় উপদ্বীপ), আর ডান পাশে South America (দক্ষিণ আমেরিকা)–এর
পূর্বাংশ দৃশ্যমান। নিচের দিকে একটি উজ্জ্বল গ্রহও ধরা পড়ে, যা নাসা শনাক্ত করেছে
Venus (শুক্র গ্রহ) হিসেবে।
শুক্রবার
ভোরে ‘ট্রান্স-লুনার ইনজেকশন বার্ন’ সম্পন্ন হওয়ার পর Orion spacecraft
(ওরিয়ন মহাকাশযান) পৃথিবীর কক্ষপথ ত্যাগ করে চাঁদের পথে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে
চার নভোচারী পৃথিবী থেকে প্রায় দুই লাখ মাইল দূরে অবস্থান করছেন।
এই
মিশনটি একটি লুপ আকৃতির পথে এগোচ্ছে, যা নভোচারীদের চাঁদের অপর প্রান্ত ঘুরিয়ে আবার
পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনবে। ১৯৭২ সালের পর এই প্রথম মানুষ এত দূর মহাকাশে পাড়ি জমিয়েছে,
যখন Apollo 17 (অ্যাপোলো–১৭) ছিল চাঁদে মানুষের শেষ অভিযান।
মিশনের
আরেক নভোচারী Jeremy Hansen (জেরেমি হ্যানসেন) জানান, ইঞ্জিন বার্নের পর সবাই জানালার
পাশে ভিড় করেছিলেন এবং একের পর এক ছবি তুলছিলেন। তিনি বলেন, চাঁদের আলোয় আলোকিত পৃথিবীর
অন্ধকার দিকের দৃশ্য ছিল অসাধারণ।
তবে ছবি তুলতে গিয়ে কিছু চ্যালেঞ্জও ছিল। কমান্ডার ওয়াইজম্যান জানান,
দেশজুড়ে/সবুজ